শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
হাসপাতালে পাপিয়া অধিকারী!
হাসপাতালে ভর্তি টলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। সূত্রের খবর, শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে এ দিন তাঁর একটি মাইক্রো সার্জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাপিয়ার সোশাল মিডিয়াতেই বেশ হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে।
পাপিয়া অধিকারী জানান, ডান হাতের মধ্যমায় ইনফেকশন হয়েছিল তাঁর। এই সংক্রমণের কারণে আঙুলটি মারাত্মক ফুলে গিয়েছিল। এই আঙুলের জন্য ডানহাতে কোনওরকম কাজ করতে পারছিলেন না তিনি। ডাক্তার তাঁকে জানিয়ে ছিলেন এই অবস্থায় যদি বেশিদিন আঙুলটি থাকত, তাহলে কেটে বাদ দিতে হত। এই কারণেই দ্রুত একটি মাইক্রোসার্জারি করতে হয়েছে। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলেছে। বাঙুরের মতো সরকারি হাসপাতালের প্রশংসা করে পাপিয়া বলেন, "আমি টালিগঞ্জের বাসিন্দা। তাই বাঙুরই আমার যাওয়াটাই সুবিধাজনক ছিল। তাছাড়াও বাঙুরের চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো। অপারেশন থিয়েটারও দারুণ। আমি যখন গিয়েছি, খুবই সচেতন ও যত্ন করে আমার চিকিৎসা করেছে। তাহলে অন্য কোথাও যাব কেন!"
'জাস্টিস ফর তামান্না...কথা রেখেছি'; ধৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর
দিন কয়েকআগে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গিয়েছিল তামান্না প্রসঙ্গ। তারপরই মৃত নাবালিকার মা সাবিনা ইয়াসমিন দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কয়েকদিনের মধ্যে তামান্না কাণ্ডে পুলিশের জালে আরও ১২ অভিযুক্ত। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে ধৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। লিখলেন, 'কথা রেখেছি'।
গতবছর ২৩ জুন উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দুপুরে কালীগঞ্জ থানার মোলান্দি গ্রামে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় ৯ বছরের তামান্না খাতুনের। ঘটনায় নিহতের মা সাবিনা ইয়াসমিন ২৪ জনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথম দফায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকি অভিযুক্তরা পলাতক ছিল। সুবিচারের জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতেও চেয়েছিলেন তামান্নার মা। কিন্তু তা হয়নি। পালাবদলের পর মঙ্গলবার বিধানসভায় তামান্না খুনের বিষয়ে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, তামান্নার পরিবারও বিচার পাবে। এরপরই তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা দিয়েছিলেন, ছোট্ট তামান্না বিচার পাবেই। এরপরই শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়। একের পর এক শুরু হয় গ্রেপ্তারি। শুক্রবার গত কয়েকদিনে তামান্না কাণ্ডে জড়িত ১২ জনের তালিকা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
জাহাঙ্গিরকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো 'মানবাধিকার লঙ্ঘন': হাই কোর্ট
ফলতার জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি আর হাফ প্যান্ট পরিয়ে এলাকায় ঘোরানোর ঘটনায় মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে আচরণের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন জাহাঙ্গিরের স্ত্রী সারিকা বিবি। সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জাহাঙ্গিরের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ যেন না করা হয়, যাতে তাঁর মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়।
ফিরহাদের গ্রেফতারি চেয়ে সুর চড়াচ্ছে কালীঘাট-তৃণমূল, বাম, বিজেপি, কংগ্রেসও
তারাতলার ভেঙে পড়া গুদামের নকশায় চূড়ান্ত ছাড় দেওয়ার অভিযোগে বিদ্ধ প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এবার তাঁর গ্রেফতারির দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন মমতা-পন্থী তৃণমূল নেতারা। একই দাবি বাম ও কংগ্রেস্র। এমনকি, বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরাও। ওই নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ভেঙে পড়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এদেছে।
গুদামের নকশা ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং তাতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিলেন তদানীন্তন মেয়র ফিরহাদ—এই তথ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার ভিতরেই জানিয়েছেন। তার পর থেকে নানা সূত্রে ফিরহাদের নাম এসেছে। সরকারি নথি বলছে, গত বছর ২০ নভেম্বর মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং কমিটির বৈঠকে গুদামের নকশাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। মিটিং নোটে মন্তব্য করা হয়, নকশায় বিল্ডিং রুল 'সেই অর্থে' ভাঙা হয়নি, কিন্তু বিল্ডিং বিভাগের মেয়র পারিষদ অথবা মেয়রের অনুমতি ছাড়া যে এই ছাড়পত্র কার্যকর হবে না, সে কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মিটিং নোটে সই করে অনুমতি দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম, যিনি ছিলেন একাধারে মেয়র এবং বিল্ডিং বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত।তা ছাড়া, যে গোডাউন ভেঙে পড়েছে, সেটি তৈরির দায়িত্বে ছিলেন আসগর হোসেন, যিনি নাকি সংশ্লিষ্ট ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর আনোয়ার খানের ঘনিষ্ঠ। দু-জনের সঙ্গেই ফিরহাদের ছবি পাওয়া গিয়েছে। ঘনিষ্ঠতার আরও প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে। ফিরহাদ অবশ্য দায় এড়িয়েছেন। তিনি বলেন, "আমি যত দূর জেনেছি, গোডাউনটা বেআইনি নয়। নজরদারির অভাব ছিল। মেয়র বা কমিশনার গিয়ে তো আর নজরদারি করতে পারেন না।" তাঁর যুক্তি, তিনি বিশেষজ্ঞ নন, মিটিং নোটে তাঁর সই একটি ফর্মালিটি মাত্র।কিন্তু ফিরহাদকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করার দাবি জানিয়েছেন মমতা শিবিরের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সাংসদ মহুয়া মৈত্রের প্রশ্ন, প্রাক্তন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস যদি 'অকারণে' দু-সপ্তাহের ওপর জেলে থাকেন, তবে ফিরহাদ মুক্ত কী ভাবে? সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী প্রশ্ন তুলেছেন, 'সরকার-অনুগত বিরোধী দলের' অংশ হওয়ার কারণেই কি শহরে একের পর এক নির্মাণ দুর্ঘটনার পরেও প্রাক্তন মেয়র তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর গায়ে আঁচ লাগছে না? বিজেপির নেতারা পাল্টা বলছেন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বিধানসভায় ফিরহাদের নাম তুলে নথিতে তাঁর সই দেখিয়েছেন, সেখানে তাঁর সরকার ফিরহাদকে বাঁচাবে, এই প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
'সিবিআই-এর হাত থেকে কি মামলা নিয়ে নিতে হবে?' আরজিকর তদন্তে অসন্তুষ্ট কোর্ট
আরজি কর মামলায় সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ। হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, গত ২১ মে সিট গঠন করে তদন্তের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেই অনুযায়ী তদন্ত হয়নি। বিচারপতির প্রশ্ন, তবে কি সিবিআইয়ের হাত থেকে তদন্তভার নিয়ে নেওয়া হবে? আরজি করের নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছে, সিবিআই না পারলে সিআইডি-কে তদন্তভার দেওয়া হোক। সিবিআইয়ের বক্তব্য, আদালতের নির্দেশ বুঝতে হয়তো ভুল হয়েছে। তদন্ত চলছে।
তার পরেই হাই কোর্ট আবার আগের নির্দেশ ব্যাখ্যা করে। গত ২১ মে আরজি কর-কাণ্ডে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট। তাদের পর্যবেক্ষণ, এর পরে গত এক মাস ধরে তদন্তের সে ভাবে অগ্রগতি হয়নি। তা নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, "২০২৪ সালের অক্টোবরে আরজি কর মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল। তার পর থেকে তদন্তে কোনও অগ্রগতি হয়নি। গত ১ বছর আট মাস ধরে তদন্ত একই জায়গায় রয়েছে। কী করছে সিবিআই? আমাদের নির্দেশে সব বলা হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও সঠিক ভাবে তদন্ত করা হয়নি। আদালতের সময় নষ্ট করা হয়েছে। এক মাস আগে নির্দেশ দিয়েছিলাম। এই সময়ের মধ্যে আশাতীত কোনও তদন্তই করেনি সিবিআই।" বিচারপতিদের আরও পর্যবেক্ষণ, "সিবিআই কি হাই কোর্টেরও উপরে? আমাদের কি সিবিআইয়ের থেকে মামলা নিয়ে নিতে হবে?"বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, "সেমিনার রুম সম্পূর্ণ নষ্ট।তথ্যপ্রমাণ নষ্টের কোনও তদন্ত হয়নি। একই ব্যাক্তিকে ফের পরীক্ষা করেছে। অগ্রগতি কোথায়? দায়িত্বজ্ঞানহীন সিবিআই অফিসারের কাজ।" ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, "আদালতের নির্দেশ কী, সেটাই বুঝতে পারছে না সিবিআই।"
বিল্ডিং প্ল্যানে ফিরহাদের সই; কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ তারাতলার গোডাউন প্ল্যানে অনুমোদন দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। তাতে সই রয়েছে তৎকালীন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের।
এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদেরও সই রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এই কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হুঁশিয়ারি, "টাকা নিতে নিতে সিটি অফ জয় কলকাতাকে মৃত্যুপুরী বানিয়েছে তৃণমূল সরকার। এটা আপনাদের পাপের ফল। একাধিক দুর্ঘটনা থেকে কোনও শিক্ষা নেননি। এখানে প্রাক্তন মেয়রের সই আছে। কাউকে ছাড়া হবে না।" তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে পড়ে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। চিকিৎসাধীন ২০ জন। এ দিন বিধানসভায় তাঁদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার পাশাপাশি তৃণমূল আমলে বেনিয়ম তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এনিয়ে রাজনীতি করবেন না। কিন্তু যারা দায়ী তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না।
mgid
adgebra
Offer-2
offer-1
Adnow
AD
Popular Posts
-
রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
-
প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...
-
টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...






