বৃহস্পতিবার রাত থেকেই চলছে টানা বৃষ্টি। শুক্রবার সকালেও আবহাওয়ার তেমন কোনও উন্নতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে সড়কপথে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে পাড়ি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আকাশপথেই মুর্শিদাবাদে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে হরিণঘাটার বিরহী পার করে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। স্বাভাবিকভাবেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে তাঁর যাত্রাপথ।
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
১ মাসে হাজার কোটির রাজস্ব বৃদ্ধি!
প্রথম বাজেট প্রশ্ন উঠেছিল, মাথায় এত বড় ঋণেরবোঝা নিয়েও যে বিপুল উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও পরিকাঠামো খাতে যে খরচের কথা বলছে রাজ্য সরকার, তা আসবে কোথা থেকে। বাজেটের জবাবি ভাষণেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, "বীরভূমের পাথর থেকে একবছরে মাত্র আট কোটি টাকা পেত সরকার। বাকিটা যেত ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে দুবাই।
আর আমরা মাত্র এক মাসে পেয়েছি ৮৩ কোটি টাকা। তার মানে ভাইপো বছরে ১১০০ কোটি টাকা চুরি করত।" আর এবার যে তথ্য সামনে উঠে এল, এ যেন সেই অঙ্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে। গত ৯ মে সরকার গড়ার পর ৯ জুন পর্যন্ত সরকারের রাজস্ব আদায় গত আর্থিক বছরের ঠিক একই সময়সীমার তুলনায় ১ হাজার কোটি টাকা বেশি। অর্থাৎ তৃণমূল সরকারের সময়কার বার্ষিক আয়কে কয়েকগুণ টেক্কা দেবে বিজেপি সরকার। জমি কেনাবেচার রেজিস্ট্রি, আবগারি দপ্তরের আয়ের উপরই বেশি নির্ভর করত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু বর্তমান সরকারের কাছে আয়ের অনেকগুলি পথ খুলে গিয়েছে, যেগুলিতে সবচেয়ে বেশি কারচুপি হত বলে অভিযোগ এবং তার বেশ কিছু কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তাধীন। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি বন্ধ করেই বর্তমান সরকারের কোষাগার ভরে উঠছে বলে অর্থদপ্তরের খবর। বিধানসভায় দাঁড়িয়েও যে দুর্নীতির কথা বারবার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সব দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তিনি সেই সরকার থেকে বুক চিতিয়ে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিগত সরকারকে একেবারে অপ্রাসঙ্গিক করে দিয়েছেন রাজনৈতিক ময়দানে।
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
বিজেপি দপ্তরে সুখেন্দুশেখর! নয়া জল্পনা
ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে ছেড়েছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ পদ। এবার সেই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সুখেন্দুশেখর রায় গেলেন সল্টলেকের বিজেপি দপ্তরে। জানা গিয়েছে, আজ, বৃহস্পতিবার সল্টলেকে রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে একইসঙ্গে দেখা গেল পদত্যাগী তৃণমূল সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক, সুস্মিতা দেবকেও। সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেছেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার কি তাঁদের রাজ্যসভার টিকিট দেবে বিজেপি? এই জল্পনা আরও জোরাল হয়ে উঠেছে।
রাজ্যে ডিম ছোড়ার সংস্কৃতি; কী বললেন দিলীপ ঘোষ?
রাজ্যে ডিম ছোড়ার সংস্কৃতি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উল্টো কথা বললেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শমীক বলেছিলেন, কারও বিরোধিতা করতে গিয়ে তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া কোনও 'সুস্থ সামাজিক ব্যবস্থা' নয়। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার ডাকও দিয়েছিলেন তিনি।
যদিও দিলীপ তা চান না। উল্টে তিনি বুদ্ধিজীবী এবং সমাজবিরোধীদের মাথায় ডিম ছোড়ার নিদান দিয়েছেন। বুদ্ধিজীবীদের একাংশকে সমাজবিরোধীর তকমাও দিয়েছেন। 'ডিম্বাস্ত্র'-কে বাঙালির এক অভিনব আবিষ্কার বলে মনে করেন দিলীপ। বারুইপুরে ১২ বছরের নাবালিকার গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় ধৃত এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের এনকাউন্টারে। রাতের অন্ধকারে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। পুলিশ সূত্রে দাবি, সেই সময়ে এক পুলিশকর্মীর হাত থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। পুলিশের পাল্টা গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়। এই এনকাউন্টারের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন অনেকেই। বিরোধী দলগুলির দাবি, বিনা বিচারে অভিযুক্তের এনকাউন্টার পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি নয়। যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে এর তুলনা করেছেন অনেকে। বৃহস্পতিবার তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল দিলীপকে। এনকাউন্টারের বিরোধী হিসেবে প্রশ্নকর্তা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, গর্গ চট্টোপাধ্যায়দের নাম করেন। দিলীপ শুনে বলেন, "যে নামগুলি বললেন, বুদ্ধিজীবী নাম। তাঁরা সকলেই সমাজবিরোধী। অপরাধ যে এত বেড়ে গিয়েছে, তার নেপথ্যে এই কমিউনিস্ট এবং বুদ্ধিজীবীরা। এঁরা নিজের নাম, ভাবমূর্তি ছাড়া আর কিছু চান না। অপরাধ হলে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন, আবার অপরাধীকে শাস্তি দিলে তার বিরুদ্ধেও আন্দোলন! আমি বলছি, ডিম যেখানে সেখানে নষ্ট করবেন না। এই বুদ্ধিজীবীদের মাথায় ডিম মারুন। বুঝিয়ে দিন এঁরা সমাজবিরোধী।"
সরকারি কর্মীদের পদন্নতিতে বেনিয়ম; বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের
রাজ্য সরকারের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের পদোন্নতি কীভাবে হয়েছে, সেদিকে কড়া নজর নবান্নের। পরীক্ষা না দিয়ে বা বেনিয়মে প্রমোশনের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত। যাঁরা নিয়ম বহির্ভূতভাবে লোয়ার থেকে আপার ডিভিশন ক্লার্ক পদে উন্নীত হয়েছেন, তাঁদের চাকরি বাতিল না হলেও, বেশ কিছু শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।
এই মর্মে বৃহস্পতিবার অর্থদপ্তরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে বাংলায় 'ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্ভিসেস (রিক্রুটমেন্ট টু ক্লারিক্যাল ক্যাডার) রুলস, ২০১৯' কার্যকর হয়। আর তারপরই ৫০ বছর বয়স পার হওয়ার পর কম্পিউটার অপারেশন এবং টাইপিং পরীক্ষায় ছাড়ের নিয়ম তুলে দেওয়া হয়। তবে তা সত্ত্বেও ২০১৯ সালের পর বহু কর্মীকে ভুলভাবে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাঁদের এলডিসি বা ইউসিসি পদে প্রমোশন দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতর পালাবদলের পর নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন। নয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে যাঁদের পদোন্নতি হয়েছে, তাঁদের সরাসরি পুরনো পদে নামিয়ে দেওয়া হবে না। কিংবা বেতন কাটা হবে না। তবে আপাতত বর্তমান পদগুলিকে 'এক্স ক্যাডার পোস্ট' হিসাবে গণ্য হবে। ওই কর্মীকে নেতাজি সুভাষ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা NSATI-এর অধীনে কম্পিউটার অপারেশন ও টাইপিং পরীক্ষা দিতে হবে। তাতে পাশও করতে হবে। যতদি না কর্মীরা পাশ করছেন ততদিন তাঁদের আর নতুন করে বেতনবৃদ্ধি হবে না। পরীক্ষায় পাশ করলেই বাড়বে বেতন। তবে যাঁদের একসময় নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি হয়েছিল এবং বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত, তাঁদের আর নতুন করে ফাইল খোলা হবে না। আবার কোনও কর্মী যদি অবসরের দোরগোড়ায় চলে আসে, তাঁকে আর পরীক্ষায় বসতে হবে না। তবে পরীক্ষা থেকে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব অর্থদপ্তরে পাঠানো হবে।
২৫০ কোটির নিয়োগ দুর্নীতি; সুজিত ও ছেলে সমুদ্রের বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডির
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর বিরুদ্ধে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আজ, বৃহস্পতিবার বিশেষ ইডি আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সুজিত বসুর পাশাপাশি এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত করা হয়েছে সুজিতের ছেলে সমুদ্র বসু, দুটি বেসরকারি সংস্থা এবং আমলা জ্যোতিষ্মান চট্টোপাধ্যায়কেও। জ্যোতিষ্মান এই দুর্নীতির সময়ে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের ডিরেক্টরেট অফ লোকাল বডিজ়-এর অধিকর্তা পদে ছিলেন। পুরনিয়োগে এই সরকারি সংস্থারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। ইডির অভিযোগ, জ্যোতিষ্মান তাঁর পদকে কাজে লাগিয়ে সরাসরি দুর্নীতিতে মদত দিয়েছেন এবং আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছেন। ইডির জমা দেওয়া নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
ইডির চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, সুজিত বসু একাই অর্থের বিনিময়ে ৩৪০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছিলেন। তার মধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন ২৮৪ জন। প্রার্থীপিছু গড়ে ৬ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি ইডির।
শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আচমকাই রাজ্যের পুরসভাগুলিতে নিয়োগ দুর্নীতির হদিস পান ইডির আধিকারিকেরা। সল্টলেক এবং হুগলিতে অয়ন শীলের বাড়িতে তল্লাশির সময় পুরনিয়োগ সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ নথি উদ্ধার করেন গোয়েন্দারা। সেই প্রসঙ্গে অয়ন শীল এবং তাঁর সংস্থা এবিএস ইনফ্রাজোনের বাকি ডিরেক্টরদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা যায়, রাজ্যে পুরসভাগুলির নিয়োগের পরীক্ষার দায়িত্বে ছিল অয়ন শীলের সংস্থা। প্রশ্ন তৈরি করা থেকে শুরু করে ওএমআর শিট সমস্তই তৈরি করত অয়ন শীলের সংস্থা। আর সেই তল্লাশিতেই সুপারিশ সংক্রান্ত নথিও উদ্ধার করেন গোয়েন্দারা। তাঁদের হাতে আসে 'এসবি' লেখা কিছু নথিও।
তদন্ত এগোতেই দেখা যায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিয়োগে বিপুল গরমিল। সেই নিয়োগের সময় ওই পুরসভার উপ পুরপ্রধান পদে ছিলেন সুজিত বসু। ইডির পাশাপাশি তদন্ত শুরু করে সিবিআইও। দফায় দফায় জেরা করা হয় পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্মীকে। ইডি সুজিত বসুর করা ৪০ জনের সুপারিশের নথিও উদ্ধার করে। সুজিত-ঘনিষ্ঠ নিতাই দত্তের বয়ান থেকেও উঠে আসে, কী ভাবে সুপারিশ করা হয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের নাম।
দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সুজিত বসু এবং তাঁর ছেলে-মেয়েকেও। কারণ, তদন্ত চলাকালীন তল্লাশিতে উঠে আসে একাধিক নির্মাণ সংস্থা এবং সুজিত বসুর ছেলের ধাবা ও রেস্তরাঁর সন্দেহজনক লেনদেন। কোভিডকালে কী ভাবে কোটি কোটি লেনদেন রেস্তরাঁয় হয়েছিল, সেই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি সুজিত বা তাঁর ছেলে, দাবি ইডির। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ১১ মে সিজিও কমপ্লেক্সে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় সুজিত বসুকে। এই মামলায় আগে চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল অয়ন শীলের বিরুদ্ধে। প্রায় ১২ হাজার ৫০০ পাতার নথি আদালতে পেশ করে ইডি।
বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
দলীয় অর্থে চপার? তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট তদন্তে ইডি
দলের অ্যাকাউন্ট থেকে 'কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন' চার্টার বিমান সংস্থাকে কপ্টার এবং বিমান কেনার জন্য কোটি কোটি টাকা ট্রান্সফার করেছিল তৃণমূল। তার পর সেই কপ্টার এবং বিমানই ‘ভাড়া’ নিয়ে টাকা গুনেছিল তারা। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলার তদন্তে নেমে এমনটাই জানা গিয়েছে বলে দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর বা ইডির। কেন এমনটা করা হয়েছিল, এখন সেটাই খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারীদের অনুমান, এ ভাবে তছরুপ হয়ে থাকতে পারে তহবিল।
mgid
adgebra
Offer-2
offer-1
Adnow
AD
Popular Posts
-
রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
-
প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...
-
টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...






