বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া যাচ্ছে অশান্তির খবর। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের মেধাবী ছাত্র! উচ্চশিক্ষার পর বায়ুসেনায় যোগ দিয়ে ছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে সেখানে কীভাবে তাঁর রাজনীতির আঙিনায় পা রাখা? এর নেপথ্যেও রয়েছে এক প্রচণ্ড আনুগত্য-প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের সম্পর্ক! শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক রথের শেকড় ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে।
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
অভিষেক অনেক লড়াই করেছে, সম্মস্ন জানান; নির্দেশ মমতার
তৃণমূলের ক্ষমতার মিনার ভেঙে পড়ার পর থেকেই দলের অন্দরে আলোচ্য হয়ে উঠেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা। তাঁর কর্পোরেট কায়দা, পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাককে সংগঠনের সমান্তরাল করে তোলা নিয়ে নবীন-প্রবীণ নির্বিশেষে ক্ষোভ গোপন করছেন না। বুধবার তৃণমূলের টিকিটে জয়ীদের বৈঠকে সেই অভিষেকের ‘লড়াইকে’ সম্মান দিতে উঠে দাঁড়াতে হল সকলকে। উঠতে হল অভিষেকের জন্মের আগে থেকে রাজনীতির আঙিনায় থাকা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সমর মুখোপাধ্যায়, জাভেদ খান, ফিরহাদ হাকিমদেরও।
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক গুলিবিদ্ধ!
গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্য শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের। চন্দ্রনাথ রথ নামে ওই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রামে।
বিজেপিতে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল?
বীরভূমে তৃণমূলের ভরাডুবি। ১১টি আসনের মধ্যে মাত্র ৬ আসনে জয়। আর তারপরই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে উঠ কিছু প্রশ্ন। সামনে আসছে বড় খবর। যেখানে 'কেষ্ট' অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বীরভূম জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিত ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডলের প্রভাব যেন এবারের ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খেয়েছে। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি।
চাকরিটা থাকবে তো? চিন্তায় সিভিক ভলান্টিয়াররা
চাকরি মিলেছিল তৃণমূল সরকারের আমলে। সরকারি পদে, সরকারি কর্মীদের মতো কাজ করতে হলেও সেই চাকরি ছিল চুক্তিভিত্তিক। স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেও সুফল মেলেনি। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা হঠাৎ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তিত। আগামী দিনে চাকরিটা আদৌ থাকবে তো, নতুন সরকার ছাঁটাই করে দেবে না তো?
তৃণমূলের দুই নেতাকে তলব ইডি-র!
![]() |
ভোটের কাজে ব্যস্ত বলে দুই বিদায়ী মন্ত্রী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে সময় চেয়েছিলেন।এবার ভোট মেটার পর বুধবার ছিল তৃণমূলের সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার দিন। কিন্তু দু’জনেই আলাদা ভাবে জানালেন, তাঁরা ইডি দফতরে যেতে পারছেন না।
অভিষেকের কাছে এল লালবাজার থেকে নির্দেশিকা!
ভোটে পরাজিত হওয়ার পরই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আজ। আর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার।






