Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7
    • Internet
    • Market
    • Stock
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
    • Childcare
    • Doctors
  • Home
  • INDIA
    • Market
    • Stock
  • KOLKATA
    • Dvd
    • Games
    • Software
      • Office
  • INTERNATIONAL
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
  • SPORTS
  • ENTERTAINMENT
    • Childcare
    • Doctors
  • Uncategorized

বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

বিজেপিতে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল?

 ৪:৪৮ PM     kolkata     No comments   


বীরভূমে তৃণমূলের ভরাডুবি। ১১টি আসনের মধ্যে মাত্র ৬ আসনে জয়। আর তারপরই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে উঠ কিছু প্রশ্ন। সামনে আসছে বড় খবর। যেখানে 'কেষ্ট' অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ।  দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বীরভূম জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিত ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডলের প্রভাব যেন এবারের ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খেয়েছে। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি।

এই ফলাফলের পর স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসছে অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকা ও জেলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রভাব নিয়ে। নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডলকে জেলা সভাপতির পদে ফিরিয়ে আনা হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পেছনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বড় ভূমিকা রয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা কোন্দল জেলা তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তারের পর ফিরে আসার পর থেকেই জেলায় কোর কমিটি গঠন করা হয়, কিন্তু তাতেও গোষ্ঠী সংঘাত থামেনি। নির্বাচনী প্রচারে অনুব্রত মণ্ডলকে এবার তেমন সক্রিয় দেখা যায়নি। বোলপুর শহরে তিনি প্রচার করলেও সেখানে তৃণমূলকে হার স্বীকার করতে হয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁর নিজের বাড়ির এলাকার বুথেও তৃণমূল পিছিয়ে পড়ে। যদিও বোলপুর আসনে তৃণমূল জয়ী হয়েছে, তবু জেলার সামগ্রিক ফলাফলকে ‘ভরাডুবি’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডল নিষ্ক্রিয়তার পাশাপাশি তলায় তলায় কয়েকটি আসনে বিজেপির পক্ষে কাজ করেছেন। এই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই বীরভূমে তৃণমূলের পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডল সাংবাদিকদের সামনে বলেছিলেন, "বিজেপি যদি ২০০ আসন পায়,তাহলে আমি একদিকের মাথা নেড়া করে ঘুরে বেড়াব।" কিন্তু ফল প্রকাশের পর থেকে তিনি একেবারে নীরব। কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—অনুব্রত মণ্ডল কোন পথে হাঁটবেন? তৃণমূলে থেকে যাবেন? নাকি অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন? নাকি রাজনীতি থেকেই সরে দাঁড়াবেন? জেলা রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আগামী দিনে তাঁর সিদ্ধান্ত বীরভূম তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

চাকরিটা থাকবে তো? চিন্তায় সিভিক ভলান্টিয়াররা

 ৪:১৪ PM     kolkata     No comments   


চাকরি মিলেছিল তৃণমূল সরকারের আমলে। সরকারি পদে, সরকারি কর্মীদের মতো কাজ করতে হলেও সেই চাকরি ছিল  চুক্তিভিত্তিক। স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেও সুফল মেলেনি। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা হঠাৎ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তিত। আগামী দিনে চাকরিটা আদৌ থাকবে তো, নতুন সরকার ছাঁটাই করে দেবে না তো?

প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে অস্থায়ী কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। এই মুহূর্তে রাজ্যে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ প্রায় ৬ লক্ষ। গ্রুপ এ, বি, সি এবং ডি গ্রুপ স্তরের কর্মী মিলিয়ে এই মুহূর্তে কর্মীসংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩ লক্ষ ১৭ হাজার। যার ফলে প্রশাসনিক কাজকর্ম চালাতে ভরসা করতে হয় এই চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের উপর। রাজ্যের প্রায় সমস্ত সরকারি অফিসেই ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, পিওন-সহ বিভিন্ন পদে অস্থায়ী কর্মীরা বসে। এমনকী আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের হাতে, তারাও অস্থায়ী কর্মী। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ৫ লক্ষ। তৃণমূলের আমলে এই সবস্তরের কর্মীই স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। সেসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, এই অস্থায়ী কর্মীরা ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত নিজ পদে বহাল থাকতে পারবেন। তাঁদের চাকরি যাবে না। অবসরের পর তাঁদের নামমাত্র অবসরকালীন সুবিধা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়।সমস্যা হল, রাজ্যের নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারের ইস্তেহারেই বলা আছে, ক্ষমতায় এলে সব সরকারি চাকরির শূন্যপদ পূরণ করা হবে। তাছাড়া আগের সরকারের আমলে যে অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের যে এই সরকার বিশেষ পছন্দ করছে না, সেটা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই নবান্নের বিভিন্ন দপ্তরের ওএসডি এবং রিঅ্যাপয়ন্টেড কর্মীদের নবান্নে যেতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন খোদ মুখ্যসচিব। স্বাভাবিকভাবেই এই পাঁচ লক্ষ অস্থায়ী কর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে উদ্বেগের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। নতুন সরকার যদি এই অস্থায়ী পদ বিলুপ্ত করে স্থায়ী নিয়োগের পথে হাঁটে? সেক্ষেত্রে মমতার আমলের ওই লিখিত নির্দেশের উপর বিশেষ ভরসা রাখতে পারছেন না তাঁরা। বিভিন্ন স্তরের সরকারি অস্থায়ী কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতে এ নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠছে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

তৃণমূলের দুই নেতাকে তলব ইডি-র!

 ২:৪৬ PM     kolkata     No comments   



ভোটের কাজে ব্যস্ত বলে দুই বিদায়ী মন্ত্রী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে সময় চেয়েছিলেন।এবার ভোট মেটার পর বুধবার ছিল তৃণমূলের সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার দিন। কিন্তু দু’জনেই আলাদা ভাবে জানালেন, তাঁরা ইডি দফতরে যেতে পারছেন না।

ইডির একটি সূত্রে খবর, প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শৌচাগারে পড়ে গিয়ে তিনি পায়ে চোট পেয়েছেন। চিকিৎসক তাঁকে দিন দশেকের জন্য বিশ্রাম নিতে বলেছেন। আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত ইডিকে জানিয়েছেন, ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁর দলের অনেক কর্মী আক্রান্ত। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি ব্যস্ত। তাঁকে যেন আরও কিছু দিন সময় দেওয়া হয়। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের দুই মন্ত্রীকেই ভোটের আগে তলব করা হয়েছিল। বস্তুত, প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিতকে সম্প্রতি একাধিক বার তলব করেছে ইডি। সুজিত প্রায় প্রতি বারই ইডির কাছে সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ভোটের কাজে ব্যস্ত, তাই হাজিরা দিতে পারবেন না, এই মর্মে আবেদন নিয়ে আদালতেও গিয়েছিলেন তিনি। হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চ জানিয়েছিল, ১ মে সুজিতকে হাজিরা দিতে হবে ইডি দফতরে। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তৃণমূলের বিদায়ী মন্ত্রী। প্রায় ৯ ঘণ্টা পরে ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমি সাক্ষী হিসাবে এসেছিলাম।’’ তিনি এ-ও বলেছিলেন, ‘‘ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।’’ তবে ইডি তদন্ত করছে। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করে যাবেন। আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রথীনও ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বলে ইডির কাছে সময় চেয়েছিলেন। ভোটের ফলপ্রকাশের একদিন পর তাঁকেও তলব করা হয়েছিল ইডি দফতরে।২০২৩ সালের অক্টোবরে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম বার রথীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অভিষেকের কাছে এল লালবাজার থেকে নির্দেশিকা!

 ২:১০ AM     kolkata     No comments   


ভোটে পরাজিত হওয়ার পরই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আজ। আর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার।

আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার ৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৬ টা থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা যাচ্ছে, ১৮৮ এ হরিশ মুখোপাধ্যায় রোডের বাড়ির বাইরের পিকেট, ১২১ কালীঘাট রোডের অফিস আর বাড়ির বাইরের পিকেট। একই সঙ্গে ৯ ক‍্যামাক স্ট্রিটের অফিসের বাইরের পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

তৃণমূল কার্যালয়ে অস্ত্র মজুত; উদ্ধার করল পুলিশ

 ৯:১৯ PM     kolkata     No comments   



দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার ঘুটিয়ারি শরিফের নারায়ণপুর এলাকায় তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় থেকে ১৮টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযোগ ছিল, নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের প্রধান ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা সালাউদ্দিন সর্দারের দলীয় কার্যালয়ে বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র মজুত রয়েছে। সেই খবর পেয়ে ওই কার্যালয়ে হানা দেয় পুলিশ। এদিকে, ভোটের ফলপ্রকাশের পরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি। পেটকুলচাঁদ এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বুধবার রাতে বাইকে ফেরার সময় পথ আটকে লাঠি এবং রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

"কেন পদত্যাগ করব? ‌আমরা তো হারিনি": মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 ৪:৫২ PM     kolkata     No comments   

মমতা এবং অভিষেকের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেক ও'ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। মমতা বলেন, "এত দিন আমি চেয়ারে ছিলাম। অনেক কিছু সহ্য করেছি। কিন্তু এখন আমি মুক্ত বিহঙ্গ। সাধারণ মানুষ।

আর সহ্য করব না। সব অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করব। আমি রাস্তার লোক। রাস্তায় ছিলাম, রাস্তায় থাকব।" বিজেপি বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোটের সকল নেতা ফোন করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, "জোট আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে। অখিলেশ আজ আসতে চেয়েছিল। আমি কাল আসতে বলেছি। একে একে সকলেই আসবেন। জোট শক্তিশালী করব।"মমতা জানান, এখনই তিনি পদত্যাগ করবেন না। বলেন,"কেন পদত্যাগ করব? ‌আমরা তো হারিনি। জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে। ইস্তফার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অবশেষ ব্যান্ডেড পড়ল সিপিএম-এর রক্তক্ষরণে!

 ১২:১৫ AM     kolkata     No comments   


আর শূন্য নয়। অবশেষ বঙ্গে ফের খাতা খুলল সিপিএম। ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতলেন সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (রানা)। বিশাল জয়ের অঙ্কের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থীকে পরাজিত করলেন রানা। কে এই মোস্তাফিজুর? দীর্ঘদিন ধরেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মোস্তাফিজুর। রয়েছে পারিবারিক ব্যবসা। এর পাশাপাশি শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। SFI করতেন দীর্ঘদিন ধরে। বামেদের একেবারে তরুণ মুখ তিনি। ২০২১ সালেও ডোমকল থেকে লড়াই করেছিলেন মোস্তাফিজুর। তবে সে সময় পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের তরফে লড়াই করছিলেন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। এর আগে তিনি ডেবরা থেকে লড়াই করে তৃণমূলের হয়ে বিপুল জয় পেয়েছিলেন। তাঁরই কেন্দ্র বদল করা হয় এবার। পাঠানো হয় ডোমকলে। এ দিকে, মুস্তাফিজুর ডোমকলের ঘরের ছেলে। ‘বহিরাগত’ হুমায়ুন কবীরকে কি মেনে নিতে পারেননি সেখানকার মানুষজন? উঠছে সেই প্রশ্নই। ডোমকল পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৫০০ পরিবার একযোগে তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের পতাকা ছেড়ে হাতে নেন লাল ঝান্ডা। যোগদানের পরই মিষ্টিমুখ। আর তারপর ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শুরু হয় শক্তি প্রদর্শনের মিছিল ও জনসংযোগ। যোগদানকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও একাধিক অভিযোগেই তাঁরা শাসকদল ছেড়েছেন। তৃণমূলের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে নিশানা করে সেই সময়ই তিনি বলেছিলেন,'পিকচার বাকি হ্যায়…।' তিনি এও বলেন, 'তৃণমূলের প্রার্থী বহিরাগত। তৃণমূল এখানে কোন জায়গায় যাচ্ছে, তিনি বুঝতে পারবেন না। তবে ডোমকলের মানুষ বুঝবেন। এটা তো ছিল ট্রেলার। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। প্রকৃতপক্ষে যাঁরা কর্মী, তাঁদের তৃণমূল মর্যাদা দেয় না।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg
পুরাতন পোস্টসমূহ হোম

mgid

adgebra

Offer-2

offer-1

Adnow

AD

Popular Posts

  • আবার কি নতুন করে বদলি হতে পারেন বহু শিক্ষক? আশঙ্কা শিক্ষকদের।
    রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
  • টার্গেট ২০১৯, মুখোমুখি দুই মুখ্যমন্ত্রী।
    টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...
  • ব্রিসবেনে হার কোহলিদের!
    প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...

Recent Posts

Categories

  • Entertainment
  • India
  • International
  • kolkata
  • Sports

Pages

  • Home

Text Widget

Sample Text

Copyright © Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7 | Powered by Blogger
Design by | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com | Distributed By Gooyaabi Templates