বীরভূমে তৃণমূলের ভরাডুবি। ১১টি আসনের মধ্যে মাত্র ৬ আসনে জয়। আর তারপরই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে উঠ কিছু প্রশ্ন। সামনে আসছে বড় খবর। যেখানে 'কেষ্ট' অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বীরভূম জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিত ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডলের প্রভাব যেন এবারের ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খেয়েছে। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি।
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
চাকরিটা থাকবে তো? চিন্তায় সিভিক ভলান্টিয়াররা
চাকরি মিলেছিল তৃণমূল সরকারের আমলে। সরকারি পদে, সরকারি কর্মীদের মতো কাজ করতে হলেও সেই চাকরি ছিল চুক্তিভিত্তিক। স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেও সুফল মেলেনি। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা হঠাৎ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তিত। আগামী দিনে চাকরিটা আদৌ থাকবে তো, নতুন সরকার ছাঁটাই করে দেবে না তো?
তৃণমূলের দুই নেতাকে তলব ইডি-র!
![]() |
ভোটের কাজে ব্যস্ত বলে দুই বিদায়ী মন্ত্রী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে সময় চেয়েছিলেন।এবার ভোট মেটার পর বুধবার ছিল তৃণমূলের সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার দিন। কিন্তু দু’জনেই আলাদা ভাবে জানালেন, তাঁরা ইডি দফতরে যেতে পারছেন না।
অভিষেকের কাছে এল লালবাজার থেকে নির্দেশিকা!
ভোটে পরাজিত হওয়ার পরই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আজ। আর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার।
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
তৃণমূল কার্যালয়ে অস্ত্র মজুত; উদ্ধার করল পুলিশ
![]() |
দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার ঘুটিয়ারি শরিফের নারায়ণপুর এলাকায় তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় থেকে ১৮টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
"কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি": মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
মমতা এবং অভিষেকের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেক ও'ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। মমতা বলেন, "এত দিন আমি চেয়ারে ছিলাম। অনেক কিছু সহ্য করেছি। কিন্তু এখন আমি মুক্ত বিহঙ্গ। সাধারণ মানুষ।
অবশেষ ব্যান্ডেড পড়ল সিপিএম-এর রক্তক্ষরণে!
আর শূন্য নয়। অবশেষ বঙ্গে ফের খাতা খুলল সিপিএম। ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতলেন সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (রানা)। বিশাল জয়ের অঙ্কের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থীকে পরাজিত করলেন রানা। কে এই মোস্তাফিজুর? দীর্ঘদিন ধরেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মোস্তাফিজুর। রয়েছে পারিবারিক ব্যবসা। এর পাশাপাশি শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। SFI করতেন দীর্ঘদিন ধরে। বামেদের একেবারে তরুণ মুখ তিনি। ২০২১ সালেও ডোমকল থেকে লড়াই করেছিলেন মোস্তাফিজুর। তবে সে সময় পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।






