প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে না থাকার কারণ জানতে চেয়ে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি মোদী সরকারের। ইতিমধ্যে মুখ্যসচিব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন আলাপন। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ইস্তফা দেওয়ার পর কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ থাকে না ওই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর। কিন্তু এরপরেও ফের চিঠি কেন্দ্রের।
রাজনৈতিক চাপানউতোর। আপাতত এটাই চলছে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের মধ্যে। আর সেই চাপানউতোরের মুখে পড়েই শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
কারণ, আসলে তো তিনি সিভিল সার্ভেন্ট বা সরকারি কর্মচারী মাত্র। তার উপর তিনি আবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে নিয়োগ করা আধিকারিক। রাজ্যে তাঁকে শুধু নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু তিনি কেন্দ্রের কোনও নির্দেশ মানতে বাধ্য। এর মূল কারণ হল রাজ্য সরকারের তরফে যাঁরা আইনি বিষয়টি দেখেন, তাঁদের অনভিজ্ঞতা। আর তার জেরেই শাস্তি হতে পারে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে শাস্তি হতে পারে তাঁর। যার সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে দু-বছরের জেল।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন