প্রায় ৬ ঘণ্টা পর নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নারদ মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের দুই মন্ত্রী-সহ চার হেভিওয়েট নেতাকে নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আদালতই নেবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর থেকেই সম্ভাবনা দেখা দেয়।
প্রসঙ্গত, নারদা মামলায় সাতসকালেই বাড়ি থেকে তুলে আনা হয় ফিরহাদ হাকিমকে। এনিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় চেতলাতে। পাশাপাশি তুলে আনা হয় মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় ফিরহাদ জানান, নারদা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। কিন্তু আগে থেকে কোনও অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করা হয়নি বলে অভিযোগ। একই ভাবে নাটকীয়ভাবে সোমবার সকালে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও, পরে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। বিনা নোটিশে ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই গোয়েন্দারা। এমনটাই অভিযোগ। পরিকল্পনা মাফিক তাঁর বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয় প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। ফিরহাদের সঙ্গে কথা বার্তা বলেন গোয়েন্দারা। তারপরই তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। ফিরহাদ বলেন, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজই চার্জশিট পেশ করতে চলেছে সিবিআই, আর তার আগেই রীতিমতো নাটকীয়ভাবে এই গ্রেফতারি। উল্লেখ্য চার্জশিটে নাম রয়েছে অপরূপা পোদ্দার ও এসএমএইচ মির্জারও।
সিবিআইয়ের বক্তব্য, নারদ কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফিরহাদকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। তবে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কীভাবে বিধায়কদের গ্রেফতার করা যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন