আলোচনায় মোটামুটি সন্তুষ্ট আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকরা। যদিও আন্দোলন এখনই প্রত্যাহার করা হবে কিনা তা জানা যায় নি। আজ এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন আন্দোলনরত পার্শ্বশিক্ষকরা।
তারপরই বিজয় উৎসবের ভাবনা। রাজ্য সরকার আগেই জানায়, পার্শ্বশিক্ষকদের দাবিদাওয়াকে সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
টাকার অভাবেই দাবি মতো পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন কাঠামোয় আনা যাচ্ছে না। এদিনও বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে ইতিবাচক বার্তাই পেয়েছেন আন্দোলনকারীরা। জানিয়েছেন, 'রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর বার্তায় আমরা খুশি। সরকার সময় চেয়েছে। আর তা না হলে আন্দোলনের রাস্তা তো খোলাই আছে।' খোদ শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষক ঐক্যমঞ্চের সদস্যরা আশাবাদী ইতিবাচক সিদ্ধান্তই নেবে সরকার। তবে কি আন্দোলন উঠে যাবে? সদ্য বৈঠক থেকে বেরিয়ে আন্দোলনকারীরা জানালেন, এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। তবে দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হবে। পার্শ্বশিক্ষকদের দাবি, নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর অন্তর্গত করতে হবে। তাঁদের পূর্ণ শিক্ষকের মর্যাদা দিতে হবে। এদিন সেই আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
তবে পরে অবস্থান বদল করে সরকার। পার্শ্বশিক্ষকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও তাঁদের নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, "আমরা আজ তাঁদের সব বিষয় বুঝিয়ে বলেছি। আমি তাঁদের বলেছি, আপনারা আপনাদের অনশন, আন্দোলন, ধরনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য আপনাদের সহকর্মীদের কাছে আবেদন করুন। তাঁদের দাবি বেতন কাঠামোর স্কেল করে দিতে হবে। আমরা জানিয়েছি, যে বিষয় নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে অর্থাৎ স্থায়ীকরণের বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব। অন্যান্য বিষয়গুলোও ভেবে দেখা করব। সেটা করতে গেলে আমাদের দফতরে আলোচনার দরকার আছে। অর্থ দফতরের সঙ্গে কথা বলার দরকার আছে। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন নেওয়ার দরকার আছে।"
এর পরে পার্শ্বশিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাঁদের থেকে সময় চেয়েছেন পার্থ বাবু। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে বেতন কাঠামো নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে সেই আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতি লিখিতভাবে দিলেই তাঁরা অনশন প্রত্যাহার করবেন। শিক্ষামন্ত্রী এই বিষয়ে বলেন, "বুদ্ধিজীবী থেকে রাজনীতিবিদ, চারিদিক থেকে আমাকে বলা হচ্ছে ওদেরকে (পার্শ্বশিক্ষকদের) নিয়ে আলোচনাতে বসুন। সরকারের যে সদিচ্ছা আছে সেটা তাঁদের বুঝিয়েছি। তাঁরা যদি আন্দোলন প্রত্যাহার না করেন সেটা তাঁদের ব্যাপার। এটাও বলেছি, খেয়াল রাখবেন কোনও সংস্থায় আপনি যদি চাকরি করেন, আর সেখানে দীর্ঘদিন কিছু না বলে না আসেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সেই সংস্থা আপনার প্রতি সবসময় সহানুভূতি দেখাতে পারে না।" সময় চাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "আমি কোনও সময় চাইনি ।"
টাকার অভাবেই দাবি মতো পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন কাঠামোয় আনা যাচ্ছে না। এদিনও বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে ইতিবাচক বার্তাই পেয়েছেন আন্দোলনকারীরা। জানিয়েছেন, 'রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর বার্তায় আমরা খুশি। সরকার সময় চেয়েছে। আর তা না হলে আন্দোলনের রাস্তা তো খোলাই আছে।' খোদ শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষক ঐক্যমঞ্চের সদস্যরা আশাবাদী ইতিবাচক সিদ্ধান্তই নেবে সরকার। তবে কি আন্দোলন উঠে যাবে? সদ্য বৈঠক থেকে বেরিয়ে আন্দোলনকারীরা জানালেন, এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। তবে দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হবে। পার্শ্বশিক্ষকদের দাবি, নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর অন্তর্গত করতে হবে। তাঁদের পূর্ণ শিক্ষকের মর্যাদা দিতে হবে। এদিন সেই আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
তবে পরে অবস্থান বদল করে সরকার। পার্শ্বশিক্ষকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও তাঁদের নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, "আমরা আজ তাঁদের সব বিষয় বুঝিয়ে বলেছি। আমি তাঁদের বলেছি, আপনারা আপনাদের অনশন, আন্দোলন, ধরনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য আপনাদের সহকর্মীদের কাছে আবেদন করুন। তাঁদের দাবি বেতন কাঠামোর স্কেল করে দিতে হবে। আমরা জানিয়েছি, যে বিষয় নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে অর্থাৎ স্থায়ীকরণের বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব। অন্যান্য বিষয়গুলোও ভেবে দেখা করব। সেটা করতে গেলে আমাদের দফতরে আলোচনার দরকার আছে। অর্থ দফতরের সঙ্গে কথা বলার দরকার আছে। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন নেওয়ার দরকার আছে।"
এর পরে পার্শ্বশিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাঁদের থেকে সময় চেয়েছেন পার্থ বাবু। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে বেতন কাঠামো নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে সেই আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতি লিখিতভাবে দিলেই তাঁরা অনশন প্রত্যাহার করবেন। শিক্ষামন্ত্রী এই বিষয়ে বলেন, "বুদ্ধিজীবী থেকে রাজনীতিবিদ, চারিদিক থেকে আমাকে বলা হচ্ছে ওদেরকে (পার্শ্বশিক্ষকদের) নিয়ে আলোচনাতে বসুন। সরকারের যে সদিচ্ছা আছে সেটা তাঁদের বুঝিয়েছি। তাঁরা যদি আন্দোলন প্রত্যাহার না করেন সেটা তাঁদের ব্যাপার। এটাও বলেছি, খেয়াল রাখবেন কোনও সংস্থায় আপনি যদি চাকরি করেন, আর সেখানে দীর্ঘদিন কিছু না বলে না আসেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সেই সংস্থা আপনার প্রতি সবসময় সহানুভূতি দেখাতে পারে না।" সময় চাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "আমি কোনও সময় চাইনি ।"
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন