আজ টেট মামলার শুনানি ছিল। আদালতের দিকে তাকিয়ে ছিলেন কয়েক হাজার টেট পরীক্ষার্থী। আজ আদালত যদি আপার প্রাইমারির চূড়ান্ত ফল প্রকাশের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় তাহলে স্কুল সার্ভিস কমিশন দ্রুততার সঙ্গে প্যানেল প্রকাশ করতে পারে। এমনটাই অনুমান ছিল পরীক্ষার্থীদের। কিন্তু এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক হয় চলতি মাসের ২৬ তারিখ।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট গোটা রাজ্য জুড়ে টেট পরীক্ষা নেয়। ওই পরীক্ষায় প্রশিক্ষিত প্রার্থী হিসাবে ছিলেন এক লক্ষ কুড়ি হাজার এবং অপ্রশিক্ষিত পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল এক লক্ষ আট হাজার।
অভিযোগ এই পরীক্ষাতে প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের না ডেকে অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীদের ডাকে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এর পরেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। আদালতে দায়ের হয় মামলা।
হবু শিক্ষকদের দাবি, অপ্রশিক্ষিতদের অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট ও এর সঙ্গে টেট পরীক্ষাতে প্রাপ্ত নম্বর কেন প্রকাশ করা হবে না? এনসিটিই-র নিয়মে বলা আছে আগে প্রশিক্ষিতদের সু্যোগ দিতে হবে। তার পর কেন প্রশিক্ষিতদের সুযোগ না দিয়ে অপ্রশিক্ষিতদের সুযোগ করে দিল কমিশন? আর এই নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি ছিল আজ। নিয়োগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আজ উঠে যেতে পারে এমনি ভেবে ছিলেন পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত হয় চলতি মাসের ২৬ তারিখ।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট গোটা রাজ্য জুড়ে টেট পরীক্ষা নেয়। ওই পরীক্ষায় প্রশিক্ষিত প্রার্থী হিসাবে ছিলেন এক লক্ষ কুড়ি হাজার এবং অপ্রশিক্ষিত পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল এক লক্ষ আট হাজার।
হবু শিক্ষকদের দাবি, অপ্রশিক্ষিতদের অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট ও এর সঙ্গে টেট পরীক্ষাতে প্রাপ্ত নম্বর কেন প্রকাশ করা হবে না? এনসিটিই-র নিয়মে বলা আছে আগে প্রশিক্ষিতদের সু্যোগ দিতে হবে। তার পর কেন প্রশিক্ষিতদের সুযোগ না দিয়ে অপ্রশিক্ষিতদের সুযোগ করে দিল কমিশন? আর এই নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি ছিল আজ। নিয়োগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আজ উঠে যেতে পারে এমনি ভেবে ছিলেন পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত হয় চলতি মাসের ২৬ তারিখ।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন