এদিনও আপারের নিয়োগের উপর থেকে স্থগিতাদেশ উঠল না। তবে আজকের আদালতে আপার মামলার শুনানির সময় কমিশনের ভূমিকা ছিল অনেকটাই ইতিবাচক।
আদালত থেকে পাওয়া খবর অনুসারে, এদিন ছিল আপার মামলার শুনানির দিন।
পুজোর আগে আপারের নিয়োগ নিয়ে কমিশন কি সিদ্ধান্ত নেবে আজকের শুনানির উপর অনেকটাই নির্ভর করছিল। শুনানির শুরুতেই কমিশনের তরফে আদালতে জানান হয়, ঘষিত অনুপাত বজায় রেখে সমস্ত সফল চাকরি-প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য পিডিএফ আকারে কমিশনের ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হবে। কমিশনের তরফে এই প্রথম নিয়োগের উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেবার জন্য জোর সওয়াল করা হয়। এমনকি কমিশনের তরফে আদালতে বলা হয়, যদি আদালত নির্দেশ দেয় তাহলে আজ মেরিটলিস্ট প্রকাশ করা হবে। যদিও সেই সব যুক্তি কাজে আসেনি। উল্টে ইন্টারভিউতে হবু শিক্ষকদের প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা জমা দেবার নির্দেশ দেয় আদালত।
যদিও এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করার জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তখন সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে পাল্টা যুক্তি দেখায় কমিশনের নিযুক্ত আইনজীবী। সবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে এই মামলার পরবর্তি শুনানির দিন ধার্য করা হয় চলতি মাসের ২৬ তারিখ।
আদালত থেকে পাওয়া খবর অনুসারে, এদিন ছিল আপার মামলার শুনানির দিন।
যদিও এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করার জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তখন সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে পাল্টা যুক্তি দেখায় কমিশনের নিযুক্ত আইনজীবী। সবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে এই মামলার পরবর্তি শুনানির দিন ধার্য করা হয় চলতি মাসের ২৬ তারিখ।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন