এবারের লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গে বেশ ভাল ফল করেছে বিজেপি। আসন সংখ্যা ২ থেকে একলাফে পৌঁছে গিয়েছে ১৮ তে। হারের মুখ দেখতে হয়েছে তৃণমূলের একাধিক হেভি-ওয়েট নেতাদের। এই নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় এই রাজ্যে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বিজেপি। তৃণমূল নেত্রী বুঝে গিয়েছেন সামনের বিধানসভা নির্বাচন তাদের কাছে খুব একটা সহজ হবে না।
লোকসভাতে ধাক্কা খেয়ে নিজেদের সংগঠনকে মেরামত করতে তৃণমূল দ্বারস্থ হয়েছেন ভোট গুরু প্রশান্ত কিশোরের, ঠিক তেমনে দলের মধ্যে গুরুত্ব বেড়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। বাম ও বিজেপির ভোট ব্যাঙ্ক নিজেদের দিকে টেনে আনা এখন প্রধান লক্ষ্য শুভেন্দুর।
দিলীপ ঘোষ সাংসদ হবার পরে তিনি বিধায়ক পদে ইতিমধ্যে ইস্তফা দিয়েছেন। আর তাই সামনেই খড়গপুরে নির্বাচন। তৃণমূলের তরফে এই নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগতে চাইছে তৃণমূল। এবারের লোকসভা নির্বাচনে খড়গপুর সদরে বিজেপির জয়ের ব্যবধান ছিল অনেকটা বেশি। এইরকম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খড়গপুর সদর সামলাবার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন মন্ত্রী শুভেন্দু। যদিও ইতিমধ্যে তিন দফায় ওই এলাকার ৩৫ টি ওয়ার্ডে দলের কর্মীদের নিয়ে আলাদা আলাদা করে বৈঠক সেরেছেন। এমনকি জেলা থেকে ৫০ জন বাছাই করা নেতাদের নিয়েও বৈঠক করেছেন তিনি। পরবর্তী সময়ে এলাকার দায়িত্ব এই ৫০ জন নেতার উপর দিতে পারেন মন্ত্রী শুভেন্দু। তৃণমূল সূত্রে এমনটাই খবর পাওয়া গিয়েছে। সব দিক বিচার করে বলা যায় খড়গপুরের উপনির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলের নেতারা। তাই এই নির্বাচন এখন তৃণমূল ও বিজেপি উভয় দলের প্রেসটিজ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এর পাশাপাশি এই নির্বাচন মন্ত্রী শুভেন্দুর কাছে অগ্নি পরীক্ষাও বটে। আর এই নির্বাচনের সাফল্যের উপর সামনের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক কারবারিরা।
লোকসভাতে ধাক্কা খেয়ে নিজেদের সংগঠনকে মেরামত করতে তৃণমূল দ্বারস্থ হয়েছেন ভোট গুরু প্রশান্ত কিশোরের, ঠিক তেমনে দলের মধ্যে গুরুত্ব বেড়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। বাম ও বিজেপির ভোট ব্যাঙ্ক নিজেদের দিকে টেনে আনা এখন প্রধান লক্ষ্য শুভেন্দুর।
Loading...
loading...
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন